শুক্রবার, ২৬ Jun ২০২৬, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

জাপানে জন্মহারের চেয়ে মৃত্যুহার দ্বিগুণ, তাহলে কি মুছে যাবে জাপানের অস্তিত্ব!

জাপানের সরকারি পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, ২০২২ সালে জাপানে ৮ লাখেরও কম শিশু জন্মগ্রহণ করেছে। ২০২১ সালে এই সংখ্যা ছিল ৮ লাখ ১২ হাজার। ২০২০ সালে ৭ লাখ ৪০ হাজার। অন্য দিকে, ২০২২ সালে জাপানে মৃত্যু হয়েছে ১৫ লাখ ৮০ হাজার মানুষ। অর্থাৎ, জন্মহারের তুলনায় মৃত্যুর হার প্রায় দ্বিগুণ!

জাপানে দ্রুতহারে জন্মহার কমতে থাকায় চিন্তার ভাঁজ ওই দেশের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার কপালে। সোমবার জাপানের প্রধানমন্ত্রীর এক কর্মকর্তা এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা আশঙ্কা করছি জন্মহার হ্রাসের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে একদিন জাপানের অস্তিত্বই মুছে যাবে।’

করোনাভাইরাস-পরবর্তী পর্যায়ে অর্থনৈতিক অস্থিরতা বেড়েছে। বেড়েছে পরিবার ছোট রাখার প্রবণতা। এমনকি, জাপানের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশ এখন বিয়ে করতেই রাজি নয়। এরই জের ধরে দ্রুতহারে কমছে জন্মহার। ২০২২ সালে সবচেয়ে কম শিশু জন্মানোর সর্বকালীন রেকর্ড হয়েছে জাপানে। এই পরিস্থিতি দেখে চিন্তা বেড়েছে ওই দেশের সরকারের। সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এমন চলতে থাকলে দেশে সামাজিক কাঠামোই নষ্ট হয়ে যাবে। ভেঙে পড়বে অর্থনীতি।’

তবে জন্মহার কমার নেপথ্যে টোকিওর কড়া অভিবাসননীতিও অন্যতম কারণ বলে মনে করে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব পপুলেশন অ্যান্ড সোশ্যাল সিকিউরিটি নামক একটি সরকারি সংস্থার ২০২১ সালের সমীক্ষার ফলাফল জন্মহারের অনুপাত সম্পর্কে যথেষ্ট উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সমীক্ষা অনুসারে, ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সি ১৭.৩ শতাংশ পুরুষ এবং ১৪.৬ শতাংশ মহিলা বলছেন যে তাদের বিয়ে করার কোনো ইচ্ছে নেই। ১৯৮২ সাল থেকে প্রতি বছরই এই সমীক্ষা করা হয়। তবে গত কয়েক বছরের সমীক্ষার ফলাফল ভাবনায় ফেলেছে জাপান সরকারকে। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com